২০২৬ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার মুখোমুখি হয়েছে আর্জেন্টিনা। ২০১৪ সালের পর এই প্রথম বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নেওয়া আলজেরিয়ার বিপক্ষে প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে রয়েছে কোচ লিওনেল স্কালোনির দল।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই বেশ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। খেলার মাত্র ৪ মিনিটে লাউতারো মার্তিনেজের পাস থেকে বল পেয়ে আলজেরিয়ার গোলরক্ষক লুকা জিদানকে পরাস্ত করে বল জালে পাঠান লিওনেল মেসি। তবে অফসাইডের কারণে রেফারি সেই গোলটি বাতিল করে দেন। এর পরপরই আলজেরিয়াও পাল্টা আঘাত হানার চেষ্টা করে। দলটির উইঙ্গার ফারেস শাইবি বক্সের বাম প্রান্ত থেকে বল জালে জড়ালেও সেটিও অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায়।
ম্যাচের ডেডলক ভাঙে ১৬ মিনিটে। এবার আর কোনো ভুল করেননি মেসি। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া দুর্দান্ত এক দূরপাল্লার শটে বল আলজেরিয়ার জালে জড়িয়ে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন তিনি।
পিছিয়ে পড়ার পর আলজেরিয়া কিছুটা খেই হারিয়ে ফেললেও ধীরে ধীরে খেলায় ফেরার চেষ্টা চালায়। ৪২ মিনিটে শাইবি বক্সের বাইরে থেকে আরও একটি শট নিলেও তা গোলপোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। এরপর বেনতালেব ও আনিস হাজ মুসাও আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করেন, কিন্তু গোলরক্ষক এমি মার্তিনেজ অত্যন্ত সততার সাথে সেসব আক্রমণ প্রতিহত করেন।
প্রথমার্ধে মেসিকে কেবল আক্রমণভাগেই নয়, নিচে নেমে ডিফেন্ডারের ভূমিকায়ও অবদান রাখতে দেখা গেছে। প্রতিপক্ষের একটি বিপজ্জনক ফ্রি কিক টাচলাইনের কাছ থেকে দুর্দান্তভাবে ক্লিয়ার করেন তিনি।
কোচ লিওনেল স্কালোনি কাগজে-কলমে ৪-৩-৩ ফরমেশনে দল সাজিয়েছিলেন। তবে মাঠের বাস্তবতায় থিয়াগো আলমাদাকে কিছুটা নিচে নেমে খেলতে দেখা গেছে। ফলে দলের পুরো বিন্যাসটি ৪-৪-২ ফরমেশনে রূপ নেয়। মূলত নিজেদের রক্ষণভাগকে আরও শক্তিশালী ও নিটোল রাখতেই প্রথমার্ধে এই বিশেষ কৌশল বেছে নেন আর্জেন্টাইন কোচ।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।