সকল মেনু

জোটবদ্ধ নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে যা বললেন নাহিদ

নির্বাচনী জোট ও সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম জানান যে, এনসিপি বর্তমানে নির্বাচনী জোটে অবস্থান করছে এবং আসন্ন স্থানীয় সরকার বা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনগুলোতে জোটবদ্ধভাবে অংশগ্রহণের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। তবে জাতীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে এককভাবে লড়ার বিষয়টি তৎকালীন পরিবেশ ও সময়ের ওপর নির্ভর করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। দলীয়ভাবে সব ধরনের নির্বাচনের প্রস্তুতি রাখা হচ্ছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেছেন।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিএনপির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি এই সনদ বাস্তবায়নের কথা বললেও সংবিধান সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় গণভোট নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো পরিষ্কার অবস্থান ব্যাখ্যা করেনি। তিনি দাবি করেন, এনসিপি বিরোধী দলের জায়গা থেকে সংসদে অত্যন্ত দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছে এবং পুরোনো রাজনৈতিক দলগুলোর মতো সংসদ অকার্যকর করার পথে হাঁটেনি। বরং সংসদে জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দাবি অত্যন্ত জোরালোভাবে উত্থাপন করা হচ্ছে।

জাতীয় সংসদে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে বিরোধী দলের অবস্থান কিছুটা সংকুচিত উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, আন্তর্জাতিক যুদ্ধ পরিস্থিতি, দেশের জ্বালানি সংকট এবং চলমান হামের প্রকোপের মধ্যে তারা রাজপথে আন্দোলন করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করতে চান না। তবে তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেন যে, যদি সংসদে উত্থাপিত দাবিগুলোর যথাযথ সমাধান না হয়, তবে পরিস্থিতির প্রয়োজনে আন্দোলন রাজপথে গড়াবে। এক্ষেত্রে পরবর্তী পরিস্থিতি অনেকটা বিএনপির সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে বলে তিনি মনে করেন। কেন বিএনপি জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে, সেই প্রশ্নটিও তিনি দলটির দিকে ছুড়ে দেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন কর্মসূচি শেষে নাহিদ ইসলাম এবং এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছান। সেখানে তারা চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান এবং চাকসু নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে বিনিময় শেষে সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে এই ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ফন্ট সাইজ:
1Shares

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

×