জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের জোটগত প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, চাঁদাবাজদের ঘুম ইতিমধ্যে হারাম হয়ে গেছে।
তারা কোনো উপায় না পেয়ে এখন ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো শুরু করেছে। ফোনে হুমকি-ধামকি দিয়ে কেন্দ্র দখল ও ভোটদানে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। শহীদ ওসমান হাদি চাঁদাবাজি ও ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন, কিন্তু তাকে বাঁচতে দেওয়া হয়নি। আমরা তার রেখে যাওয়া কাজ বাস্তবায়ন করতে মাঠে নেমেছি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে দেবিদ্বার উপজেলার গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়নের ধলাশ গ্রামে ভারতীয় আগ্রাসনবিরোধী পদযাত্রার অংশ হিসেবে শহীদ ওসমান হাদির রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ আরও বলেন, যারা গুন্ডা-হুন্ডা দিয়ে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন, তারা সাবধান হয়ে যান। এখন আর গুন্ডামির রাজনীতি চলবে না। জনগণ সচেতন। তারা ঋণখেলাপি বা দুর্নীতিবাজদের ক্ষমতায় দেখতে চান না। নির্বাচিত হয়ে জনগণের হক মেরে খাওয়া বা গোমতী নদীর মাটি লুট করার স্বপ্ন এবার জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে।তিনি বলেন, সংস্কার, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ, নিজের ভোট নিজে দেওয়া এবং ভারতীয় গুন্ডামি বন্ধ চাইলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিন। আপনার ‘হ্যাঁ’ ভোটেই গড়ে উঠবে আগামীর বাংলাদেশ।
হাসনাত আরও উল্লেখ করেন, আমরা কখনো ওসমান হাদির মতো হতে পারব না। তিনি মুড়ি-বাতাসা নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন। তিনি চেয়েছিলেন বাংলাদেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা হোক, চাঁদাবাজি-দুর্নীতি বন্ধ হোক এবং মানুষ ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়। আজ গ্রামে গ্রামে মা-বোন ও বৃদ্ধরা তার জন্য দোয়া করছেন। আমরা তার স্বপ্নের ইনসাফ প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব নিয়েছি এবং তার হত্যার বিচার এ দেশেই নিশ্চিত করে ঘরে ফিরব।
অনুষ্ঠান শেষে শহীদ ওসমান হাদির আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাত করা হয়। গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মো. জসিম উদ্দিন পাঠানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মো. নাঈম বিন মুসাসহ ইউনিয়ন জামায়াত ও এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।