দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসনের অবসান ঘটিয়ে সপরিবারে দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিমানবন্দরে নামার পর খালি পায়ে মাতৃভূমির মাটি স্পর্শ করে এক মুঠো মাটি হাতে তুলে নেন—এই আবেগঘন মুহূর্ত দেশজুড়ে উচ্ছ্বাসের জোয়ার তুলেছে।বিমানবন্দর থেকে বুলেটপ্রুফ বাসে করে তিনি সরাসরি পূর্বাচলের ৩০০ ফিট (৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে) এলাকায় গণসংবর্ধনা সমাবেশে যোগ দেন।
লাখো সমর্থকের উপস্থিতিতে দেওয়া বক্তব্যে মার্টিন লুথার কিংয়ের ‘আই হ্যাভ এ ড্রিম’-এর আদলে বলেন, “আই হ্যাভ এ প্ল্যান”—দেশ গড়ার একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা।তিনি বলেন, “আজ সময় এসেছে সবাই মিলে একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার। যেখানে মুসলিম-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবাই নিরাপদে বাস করবে।” সমমনা দলগুলোর নেতাদের মঞ্চে রেখে ঐক্যের বার্তা দেন তিনি।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তার প্রত্যাবর্তনকে রাজনীতির জন্য ইতিবাচক বলে অভিহিত করেছে। সংবর্ধনা শেষে তিনি অসুস্থ মা খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান। আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই ফেরা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন মোড় এনেছে।
আখতার হোসেন বলেন, ‘দেশে যখন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হলেও নির্বাচন হবে কিনা, এ নিয়ে মানুষের মধ্যে শঙ্কা ছিল- এমন প্রেক্ষাপটে তারেক রহমান দেশে ফেরায় নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা দূর হলো।’
এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব মনে করেন, তারেক রহমান দলীয় রাজনীতির বাইরে জাতীয় রাজনীতিতে কী ভূমিকা রাখেন, সেদিকে সবার নজর থাকবে।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।