সকল মেনু

জেফার-রাফসান সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন সাবেক স্ত্রী এশা

কিছুদিন আগে শোবিজের আলোচিত জুটি উপস্থাপক রাফসান সাবাব ও সংগীতশিল্পী জেফার রহমান বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। কিন্তু গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) তাদের বিয়ের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন তারা। কারণ রাফসানের সাবেক স্ত্রী ডা. সানিয়া শামসুন এশার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর থেকেই নেটদুনিয়ায় গুঞ্জন ছিল যে কণ্ঠশিল্পী জেফারের সঙ্গে সম্পর্কের কারণেই তার প্রথম সংসার ভেঙে গিয়েছিল।

একই দিনে এশার জন্মদিন হওয়ায় তিনিও হঠাৎ করে আলোচনায় চলে আসেন। নেটিজেনরা তার প্রতি সমবেদনা জানাতে থাকেন এবং বলতে থাকেন যে রাফসান এশার সঙ্গে সম্পর্কে থাকাকালীনই জেফারের সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে পড়েছিলেন। যদিও এই বিষয়ে রাফসান-জেফার দীর্ঘদিন গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই গুজবই সত্যি প্রমাণিত হয়েছে। বিয়ের দুদিন পর গত শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ফেসবুকে একটি দীর্ঘ পোস্ট করে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন ডা. সানিয়া শামসুন এশা।

তিনি লেখেন, বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষই জানে বর্তমানে কী ঘটছে এবং সত্যটা কী। এ বিষয়ে তার আর বেশি কিছু বলার প্রয়োজন নেই। জীবনের এই পর্যায়ে এসে তিনি আর কারও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভাবতে বা তাতে জড়াতে চান না। এশা উল্লেখ করেন, তিনি একটি অত্যন্ত কঠিন সময় পার করেছেন—অনেক কিছু সহ্য করেছেন, গভীর মানসিক আঘাত পেয়েছেন। সেই অবস্থা থেকে উঠে এসে নিজের জন্য কিছু অর্জন করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। এই যাত্রায় কাছের মানুষদের পাশাপাশি অচেনা অনেকের ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়ে তিনি আপ্লুত। প্রতিটি শুভকামনা ও উৎসাহের জন্য তিনি আজীবন কৃতজ্ঞ।

পোস্টের শেষে তিনি বলেন, তিনি এমন কিছু গড়ে তুলতে চান যা কঠিন সময়ে তাকে ছেড়ে যাবে না বা বিপর্যয়ে অসহায় করে তুলবে না। তিনি আর অতীত পরিচয় বহন করতে চান না। তার পরিচয় হোক শুধু একটাই—ডা. এশা।

গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলে এশা আরও বলেন, তিনি নিজের জীবন নিজের মতো গড়ে তুলছেন এবং ইতিবাচক দিক দেখানোর চেষ্টা করছেন। মানুষকে অনুপ্রাণিত করতে চান। কিন্তু অপ্রয়োজনীয়ভাবে যখন বিষয়টা উঠে আসে, তখন বিরক্তি তৈরি হয়। তিনি নেতিবাচকতা ছড়াতে চান না। মানুষ তার কাছ থেকে স্টেটমেন্ট আশা করে, কিন্তু তিনি আর এই বিষয়ে নেতিবাচক কিছু বলতে চান না।এদিকে রাফসান-জেফারের বিয়ের পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক চলছে।

অনেকে এশার প্রতি সহানুভূতি জানালেও কেউ কেউ বলছেন যে ব্যক্তিগত জীবনের বিষয়ে এতটা আলোচনা না করাই ভালো।

ফন্ট সাইজ:
0Shares

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

×