সকল মেনু

সুর-ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে আংগারুয়ায় শুরু হলো ‘খনার মেলা’: উন্মোচিত ‘ভোরের হাওয়া’

“খনা আছে জনে জনে, খনা আছে সব জীবনে…” — এই শাশ্বত বাণীকে বুকে ধারণ করে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার আংগারুয়া গ্রামে শুরু হয়েছে বাংলার লোক-ঐতিহ্যের অনন্য উৎসব ‘খনার মেলা ১৪৩২’।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) চৈত্র সংক্রান্তির ভোরের প্রথম আলোয় আংগারুয়ার ‘মঙ্গলঘর পরিসরে’ বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদ্বোধন হয়েছে তৃতীয় খনার মেলা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কবি ও শিল্পী কফিল আহমেদের কথা ও সুরে মঙ্গলঘর পরিসরের শিল্পীদের সমবেত কণ্ঠে পরিবেশিত হয় বিশেষ উদ্বোধনী গান। সেই সুরের মূর্ছনায় আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচিত হয় মেলার স্মারক ‘ভোরের হাওয়া’।

দিন-রাত জুড়ে শেকড়ের সুরউদ্বোধনের পর থেকেই মেলা প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে উঠেছে লোকগান, বাউলগান ও পালাগানের সুরে। দেশি-বিদেশি গবেষক, বরেণ্য শিল্পী ও সংস্কৃতিপ্রেমীরা এসেছেন এই ঐতিহ্যমণ্ডিত আয়োজনে। তরুণ শিল্পীদের উদ্যমী কণ্ঠে তারুণ্যের জয়গান যোগ করেছে নতুন মাত্রা।

আয়োজক ও সহযোগিতাবরেণ্য শিল্পী কফিল আহমেদের উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই সাংস্কৃতিক মিলনমেলার সার্বিক আয়োজন করেছে ‘মঙ্গলঘর পরিসর’। অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতা করছে কুল এক্সপোজার এবং বিশেষ সহযোগিতায় রয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

মিডিয়া পার্টনার: চ্যানেল আই ও নিউজট্রেইল। পরিবহন সহযোগী: এসআর গ্রুপশেকড়ের টানে আমন্ত্রণআয়োজকরা জানিয়েছেন, খনার মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি আমাদের কৃষি ও লোকজ সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এক সেতুবন্ধন। পহেলা বৈশাখের প্রথম প্রহর পর্যন্ত চলমান এই মেলায় সকল সংস্কৃতিপ্রেমীকে সাদর আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

ফন্ট সাইজ:
0Shares

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

×