আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা ১৪ মিনিট ৪৫ সেকেন্ডে রাজধানী ঢাকাসহ এর আশপাশের এলাকায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, এই কম্পনের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪.১।
কম্পনটির উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে নিকটবর্তী নরসিংদী জেলার শিবপুর কাছাকাছি। এটি টঙ্গী থেকে প্রায় ৩৩ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তরপূর্বে অবস্থিত। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল প্রায় ২৭ কিলোমিটার।
ভোরের দিকে কম্পন অনুভূত হওয়ায় অনেকেই তা টের পাননি। তবে ২১ নভেম্বর ঘটে যাওয়া বড় ঝাঁকুনির পর এত কম সময়ের ব্যবধানে আরেকটি কম্পন হওয়ায় নগরবাসীর মধ্যে সামান্য উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, এই ভূমিকম্পে বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর নেই।
ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক সময়ের বড় ভূমিকম্পের পর এই কম্পনগুলো আফটারশক বা পরবর্তী কম্পন হতে পারে। তবে ঘন ঘন এমন কম্পন ঢাকার ভূতাত্ত্বিক ঝুঁকির মাত্রা বৃদ্ধি করছে।
বিশেষজ্ঞের অভিমত:
ভূমিকম্প গবেষকরা বলছেন, ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলটি ঐতিহাসিকভাবেই ভূমিকম্প প্রবণ এলাকার মধ্যে পড়ে। এই ধরনের মৃদু কম্পনগুলি বড় কোনো শক্তির বহিঃপ্রকাশকে নির্দেশ না করলেও, ভবন নির্মাণে সঠিক কোড অনুসরণ করা এবং দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকা অত্যাবশ্যক।
ভূমিকম্পের সময় করণীয়:
খোলা স্থানে গেলে বিদ্যুৎ লাইন বা বড় ভবন থেকে দূরে থাকুন। দ্রুত বিছানা থেকে উঠে মজবুত টেবিলের নিচে আশ্রয় নিন।
লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি দিয়ে নামুন। কম্পন শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাইরে বের হবেন না।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।