রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভারত সফর শেষে ভারতের সঙ্গে জ্বালানি সম্পর্ক নিয়ে এল এক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা, যা পশ্চিমা দেশগুলির চাপকে স্পষ্টতই উপেক্ষা করল। প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা ব্লক দীর্ঘ দিন ধরেই রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করার জন্য ভারতের ওপর চাপ সৃষ্টি করে আসছিল। কিন্তু সেই আন্তর্জাতিক চাপকে পাত্তা না দিয়ে, দুই দেশ কৌশলগত জ্বালানি সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর প্রেসিডেন্ট পুতিন ঘোষণা করেন যে, রাশিয়া ভারতকে “অবাধে জ্বালানি তেলের চালান” সরবরাহ অব্যাহত রাখবে। এই নিশ্চয়তা ভারতের জন্য একটি বড় অর্থনৈতিক স্বস্তি, বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধের পর যখন বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে গিয়েছিল এবং ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণে ছাড়ে তেল কেনা শুরু করে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতিতে উভয় নেতা ২০৩০ সাল পর্যন্ত অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও কৌশলগত অংশীদারিত্বকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চুক্তিটি আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ভারতের স্বতন্ত্র বিদেশনীতির একটি সুস্পষ্ট প্রমাণ। ভারতের প্রয়োজন ও জাতীয় স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিয়ে মস্কোর সঙ্গে এই দৃঢ় সম্পর্ক বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নিলো নয়াদিল্লি। শুধু জ্বালানি নয়, এই সফরে সামরিক বাহিনীর জন্য লজিস্টিক্যাল সাপোর্ট এবং কুণ্ডনকুলম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে রাশিয়ার সহায়তা নিয়েও চুক্তি হয়েছে। পশ্চিমা বিশ্ব যখন রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করছে, তখন পুতিনের এই সফল ভারত সফর মস্কো-দিল্লি সম্পর্ককে আরও মজবুত করেছে।
আপনার মোবাইল দিয়ে এই QR কোডটি স্ক্যান করে বিস্তারিত খবরটি অনলাইনে পড়ুন।
https://www.nabonews24.com/international/2025/12/06/newsid-674/© NABO NEWS24 | প্রিন্ট/ডাউনলোড: ০১-০৭-২০২৬, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ণ